বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌতুক না পেয়ে বরগুনায় স্ত্রীকে বিদ্যুতের শক দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

আড়ালের খবর
আড়ালের খবর ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৬ এএম
যৌতুক না পেয়ে বরগুনায় স্ত্রীকে বিদ্যুতের শক দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পড়েছেন ৭১ জন

 সদর উপজেলার হেউলিবুনিয়া এলাকায় ব্যবসার জন্য তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে না পেয়ে স্ত্রীকে মারধর, গলায় পা দিয়ে চেপে ধরা ও বিদ্যুতের শক দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এহাসনুল হক মিরাজ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় মিরাজের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী।  মামলাটি গ্রহণ করে বরগুনা সদর থানার ওসিকে এজাহার রুজুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. ওসমান গনি এ আদেশ দেন।

 অভিযুক্ত মিরাজ (৩৩) বরগুনা সদর উপজেলার হেউলিবুনিয়া গ্রামের শামসুল হকের ছেলে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর মিরাজের সঙ্গে ওই গৃহবধূর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীর বাবার কাছ থেকে টাকা নেন মিরাজ। সর্বশেষ গত ২৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনা সদরের বটতলা সড়কে মো. কবিরের ভাড়া বাসায় ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি।

অভিযোগে বলা হয়, গৃহবধূ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন মিরাজ। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর গলায় পা দিয়ে চেপে ধরেন। পরে তাঁকে বিদ্যুতের শক দেওয়া হয়। এ সময় গৃহবধূর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাঁকে রক্ষা করেন।

গৃহবধূর অভিযোগ, ঘটনার সময় মিরাজের সঙ্গে আরও দুজন ব্যক্তি ছিলেন। তাঁরা তাঁকে নির্যাতনে সহযোগিতা করেন। একপর্যায়ে গৃহবধূকে মৃত ভেবে তাঁর স্বর্ণালংকার নিয়ে বাইরে থেকে ঘরের দরজা বন্ধ করে চলে যান অভিযুক্তরা।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, ‘প্রতিবেশীরা এগিয়ে না এলে বিদ্যুতের শক দিয়ে আমাকে মেরে ফেলতেন মিরাজ। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর বাবাকে ফোনে বিষয়টি জানাই। পরে বাবা থানায় গিয়ে পুলিশ নিয়ে আমাকে উদ্ধার করেন। এরপর আমাকে বরগুনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এবিষয় অভিযুক্ত মিরাজের কাছে জানতে চাইলে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

যৌতুক না পেয়ে বরগুনায় স্ত্রীকে বিদ্যুতের শক দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
0:00 / 0:00
1x